Etiquette of jummah day in islam

Etiquette of jummah day in Islam

 

 

Jummah, or Friday prayer, is an important part of Islamic worship and is considered obligatory for Muslim men to attend. This weekly congregational prayer serves as an opportunity for Muslims to come together, listen to a sermon, and offer their prayers collectively. However, there are certain etiquette and practices that Muslims are expected to observe on this holy day.

 

One of the most important etiquettes of Jummah is to make sure to perform the ritual ablution (wudu) before attending the prayer. This involves washing one’s hands, mouth, nose, face, arms, head, and feet. The purpose of this ritual is to cleanse oneself both physically and spiritually, as Muslims believe that cleanliness is an essential part of their faith.

 

Another important etiquette is to dress modestly and respectfully. Muslim men are expected to wear their best clothes and avoid anything that is considered inappropriate or revealing. Muslim women are also expected to dress modestly and cover their heads with a hijab or headscarf.

 

Before the Jummah prayer, it is also recommended to read Surah Al-Kahf, one of the chapters of the Quran, which is believed to offer protection from the Dajjal (the Islamic equivalent of the Antichrist) and other evil forces. Muslims are also encouraged to perform voluntary prayers (Sunnah) before the Jummah prayer, as this is believed to increase their reward.

 

Once the prayer begins, Muslims are expected to remain quiet and attentive, listen to the sermon delivered by the imam, and offer their prayers. It is also considered rude to engage in any kind of distracting behavior, such as talking or fidgeting. Muslims are also advised to refrain from eating or drinking during the prayer, as this is considered disrespectful.

 

After the Jummah prayer, it is customary to greet other Muslims and exchange the Islamic greeting of As-Salaam-Alaikum (peace be upon you). It is also a good practice to offer voluntary prayers (Sunnah) after the Jummah prayer, as this is believed to increase one’s reward and blessings.

 

In conclusion, observing the etiquette of Jummah is an important part of Islamic worship and serves as a reminder of the importance of cleanliness, modesty, and attentiveness in prayer. By following these practices, Muslims can deepen their faith and strengthen their connection to Allah (God) and the wider Muslim community.

 

জুম্মাহ, বা জুমার নামাজ, ইসলামিক উপাসনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং মুসলিম পুরুষদের অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক বলে মনে করা হয়। এই সাপ্তাহিক সমবেত প্রার্থনা মুসলমানদের একত্রিত হওয়ার, একটি খুতবা শোনার এবং সম্মিলিতভাবে তাদের প্রার্থনা করার একটি সুযোগ হিসাবে কাজ করে। যাইহোক, কিছু শিষ্টাচার এবং অনুশীলন রয়েছে যা মুসলমানরা এই পবিত্র দিনে পালন করবে বলে আশা করা হয়।

 

জুম্মার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিষ্টাচারের মধ্যে একটি হল নামাজে অংশ নেওয়ার আগে আনুষ্ঠানিক অজু (ওজু) করা নিশ্চিত করা। এর মধ্যে একজনের হাত, মুখ, নাক, মুখ, বাহু, মাথা এবং পা ধোয়া জড়িত। এই আচারের উদ্দেশ্য হল নিজেকে শারীরিক এবং আধ্যাত্মিকভাবে পরিষ্কার করা, কারণ মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে পরিচ্ছন্নতা তাদের বিশ্বাসের একটি অপরিহার্য অঙ্গ।

 

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শিষ্টাচার হল বিনয়ী এবং সম্মানের সাথে পোশাক পরা। মুসলিম পুরুষদের তাদের সেরা পোশাক পরতে এবং অনুপযুক্ত বা প্রকাশক বলে মনে করা হয় এমন কিছু এড়িয়ে চলার আশা করা হয়। মুসলিম মহিলাদেরও শালীন পোশাক এবং হিজাব বা হেড স্কার্ফ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখার আশা করা হয়।

 

জুম্মার নামাযের আগে, কুরআনের অন্যতম অধ্যায় সূরা আল-কাহফ পড়ারও সুপারিশ করা হয়, যা দাজ্জাল (শত্রুর ইসলামের সমতুল্য) এবং অন্যান্য অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষা প্রদান করে বলে বিশ্বাস করা হয়। জুমার নামাজের আগে মুসলমানদেরকে স্বেচ্ছায় প্রার্থনা (সুন্নাহ) করতেও উৎসাহিত করা হয়, কারণ এটি তাদের সওয়াব বাড়ায় বলে বিশ্বাস করা হয়।

 

একবার প্রার্থনা শুরু হলে, মুসলমানরা শান্ত এবং মনোযোগী থাকবেন, ইমামের দেওয়া খুতবা শুনবেন এবং তাদের প্রার্থনা করবেন বলে আশা করা হয়। কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর আচরণ, যেমন কথা বলা বা বকাবকি করাকেও অভদ্র বলে মনে করা হয়। মুসলমানদের প্রার্থনার সময় খাওয়া বা পান করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এটি অসম্মানজনক বলে বিবেচিত হয়।

 

জুমার নামাজের পর, অন্যান্য মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানানো এবং আস-সালাম-আলাইকুম (আপনার উপর শান্তি) এর ইসলামিক শুভেচ্ছা বিনিময় করার প্রথা রয়েছে। জুমার নামাযের পরে স্বেচ্ছায় প্রার্থনা (সুন্নাত) করাও একটি ভাল অভ্যাস, কারণ এটি একজনের সওয়াব এবং আশীর্বাদ বৃদ্ধি করে বলে বিশ্বাস করা হয়।

 

উপসংহারে, জুমার শিষ্টাচার পালন করা ইসলামী উপাসনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এবং এটি নামাজে পরিচ্ছন্নতা, বিনয় এবং মনোযোগের গুরুত্বের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে। এই অনুশীলনগুলি অনুসরণ করে, মুসলমানরা তাদের বিশ্বাসকে গভীর করতে পারে এবং আল্লাহ (ঈশ্বর) এবং বৃহত্তর মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে তাদের সংযোগকে শক্তিশালী করতে পারে।

 

What are the Islamic rules for Friday?

 

 

Friday, also known as Jummah, is considered a holy day in Islam and has certain rules and practices that Muslims are expected to follow. Here are some of the Islamic rules for Friday:

 

Performing the Jummah prayer: Muslims are required to attend the Jummah prayer in congregation, which is held in mosques. This is considered obligatory for Muslim men, while women are encouraged but not obligated to attend. The prayer is performed in the afternoon, usually around midday.

 

Observing cleanliness: Muslims are expected to perform the ritual ablution (wudu) before attending the Jummah prayer. This involves washing one’s hands, mouth, nose, face, arms, head, and feet. The purpose of this ritual is to cleanse oneself both physically and spiritually.

 

Dressing modestly: Muslims are expected to dress modestly and respectfully for the Jummah prayer. Men are encouraged to wear their best clothes and avoid anything that is considered inappropriate or revealing. Women are also expected to dress modestly and cover their heads with a hijab or headscarf.

 

Listening to the sermon: Muslims are expected to listen attentively to the sermon delivered by the imam during the Jummah prayer. The sermon is meant to offer guidance and advice on how to lead a righteous life according to Islamic teachings.

 

Refraining from worldly activities: Muslims are encouraged to refrain from engaging in any kind of worldly activities, such as work or business, during the Jummah prayer. This is considered a time for spiritual reflection and devotion.

 

Reciting Surah Al-Kahf: It is recommended for Muslims to recite Surah Al-Kahf, one of the chapters of the Quran, before attending the Jummah prayer. This is believed to offer protection from evil forces and increase one’s reward.

 

Offering voluntary prayers: Muslims are encouraged to offer voluntary prayers (Sunnah) before and after the Jummah prayer. This is believed to increase one’s reward and blessings.

 

In summary, these are some of the Islamic rules for Friday, which are intended to help Muslims observe this holy day with reverence, devotion, and humility.

 

শুক্রবার, যা জুম্মাহ নামেও পরিচিত, ইসলামে একটি পবিত্র দিন হিসাবে বিবেচিত হয় এবং এর কিছু নিয়ম ও অভ্যাস রয়েছে যা মুসলমানরা অনুসরণ করবে বলে আশা করা হয়। এখানে শুক্রবারের জন্য কিছু ইসলামিক নিয়ম রয়েছে:

 

জুমার নামাজ আদায় করা: মুসলমানদের জুমার নামাজে জামাতে উপস্থিত থাকতে হয়, যা মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এটি মুসলিম পুরুষদের জন্য বাধ্যতামূলক বলে বিবেচিত হয়, যখন মহিলাদের উত্সাহিত করা হয় তবে উপস্থিত থাকতে বাধ্য নয়। প্রার্থনা বিকেলে সঞ্চালিত হয়, সাধারণত মধ্যাহ্নের কাছাকাছি।

 

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পর্যবেক্ষণ: জুমার নামাজে অংশ নেওয়ার আগে মুসলমানদের আনুষ্ঠানিক অজু (ওজু) করার আশা করা হয়। এর মধ্যে একজনের হাত, মুখ, নাক, মুখ, বাহু, মাথা এবং পা ধোয়া জড়িত। এই আচারের উদ্দেশ্য হল শারীরিক এবং আধ্যাত্মিকভাবে নিজেকে শুদ্ধ করা।

 

শালীন পোশাক পরা: জুম্মার নামাজের জন্য মুসলমানদের বিনয়ী এবং সম্মানের সাথে পোশাক পরার আশা করা হয়। পুরুষদের তাদের সর্বোত্তম পোশাক পরতে এবং অনুপযুক্ত বা প্রকাশক বলে বিবেচিত কিছু এড়াতে উত্সাহিত করা হয়। মহিলাদেরও শালীন পোশাক এবং হিজাব বা হেডস্কার্ফ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখার আশা করা হয়।

 

খুতবা শ্রবণ করা: জুমার নামাজের সময় ইমামের দেওয়া খুতবা মনোযোগ সহকারে শোনার আশা করা হয় মুসলমানদের। এই খুতবাটি ইসলামী শিক্ষা অনুসারে কীভাবে ধার্মিক জীবনযাপন করা যায় সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদানের উদ্দেশ্যে।

 

পার্থিব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা: জুমার নামাজের সময় মুসলমানদের যে কোনো ধরনের পার্থিব কাজকর্ম, যেমন কাজ বা ব্যবসায় জড়িত থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত করা হয়। এটি আধ্যাত্মিক প্রতিফলন এবং ভক্তির জন্য একটি সময় বলে মনে করা হয়।

 

সূরা আল-কাহফ তেলাওয়াত করা: জুমার নামাজে অংশ নেওয়ার আগে মুসলমানদের জন্য কুরআনের অন্যতম অধ্যায় সূরা আল-কাহফ পাঠ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং একজনের পুরষ্কার বৃদ্ধি করে বলে বিশ্বাস করা হয়।

 

স্বেচ্ছায় নামাজ আদায় করা: জুমার নামাজের আগে ও পরে স্বেচ্ছায় নামাজ (সুন্নাত) আদায় করতে মুসলমানদের উৎসাহিত করা হয়। এটি একজনের পুরষ্কার এবং আশীর্বাদ বৃদ্ধি করে বলে বিশ্বাস করা হয়।

 

সংক্ষেপে, এগুলি শুক্রবারের জন্য কিছু ইসলামিক নিয়ম, যা মুসলমানদের এই পবিত্র দিনটিকে শ্রদ্ধা, ভক্তি এবং নম্রতার সাথে পালন করতে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে।

 

What are the ethics of jummah?

 

Jummah, or Friday prayer, is a sacred and important ritual in Islam, and as such, it is accompanied by certain ethics and principles that Muslims are expected to follow. Here are some of the ethics of Jummah in Islam:

 

Respect and reverence: Muslims are expected to show respect and reverence for the Jummah prayer and the sacred space where it is held. This means behaving in a dignified and respectful manner, refraining from distracting behavior, and treating others with kindness and courtesy.

 

Punctuality: Muslims are encouraged to arrive early for the Jummah prayer and avoid being late. This shows respect for the prayer and for fellow worshippers.

 

Cleanliness: Muslims are expected to observe cleanliness and perform the ritual ablution (wudu) before attending the Jummah prayer. This involves washing one’s hands, mouth, nose, face, arms, head, and feet. The purpose of this ritual is to cleanse oneself both physically and spiritually.

 

Dress modestly: Muslims are expected to dress modestly and respectfully for the Jummah prayer. Men are encouraged to wear their best clothes and avoid anything that is considered inappropriate or revealing. Women are also expected to dress modestly and cover their heads with a hijab or headscarf.

 

Listen attentively: Muslims are expected to listen attentively to the sermon delivered by the imam during the Jummah prayer. The sermon is meant to offer guidance and advice on how to lead a righteous life according to Islamic teachings.

 

Be grateful: Muslims are encouraged to express gratitude to Allah (God) for the blessings and opportunities they have been given and to seek forgiveness for any wrongs they may have committed.

 

Greet others: After the Jummah prayer, it is customary for Muslims to greet and exchange pleasantries with one another. This helps to strengthen community ties and foster a sense of unity and brotherhood.

 

In summary, the ethics of Jummah in Islam revolve around showing respect, reverence, and gratitude for the prayer and the sacred space where it is held, as well as demonstrating kindness and courtesy towards others. These principles are intended to help Muslims cultivate a strong and vibrant community and deepen their spiritual connection with Allah (God).

 

জুম্মাহ, বা জুমার নামাজ, ইসলামে একটি পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ আচার, এবং যেমন, এটি কিছু নীতি ও নীতির সাথে রয়েছে যা মুসলমানদের অনুসরণ করা আশা করা হয়। এখানে ইসলামে জুম্মার কিছু নৈতিকতা রয়েছে:

 

শ্রদ্ধা ও শ্রদ্ধা: জুম্মার নামাজ এবং যেখানে এটি অনুষ্ঠিত হয় সেই পবিত্র স্থানের প্রতি মুসলমানদের শ্রদ্ধা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের প্রত্যাশা করা হয়। এর অর্থ হল একটি মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্মানজনক আচরণ করা, বিভ্রান্তিকর আচরণ থেকে বিরত থাকা এবং অন্যদের সাথে সদয় ও সৌজন্যের সাথে আচরণ করা।

 

সময়ানুবর্তিতা: মুসলমানদের জুম্মার নামাজের জন্য তাড়াতাড়ি পৌঁছাতে এবং দেরী এড়াতে উত্সাহিত করা হয়। এটা প্রার্থনা এবং সহ উপাসকদের প্রতি সম্মান দেখায়।

 

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: জুমার নামাজে অংশ নেওয়ার আগে মুসলমানদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পালন এবং আনুষ্ঠানিক অজু (ওজু) করার আশা করা হয়। এর মধ্যে একজনের হাত, মুখ, নাক, মুখ, বাহু, মাথা এবং পা ধোয়া জড়িত। এই আচারের উদ্দেশ্য হল শারীরিক এবং আধ্যাত্মিকভাবে নিজেকে শুদ্ধ করা।

 

শালীন পোষাক: জুম্মার নামাজের জন্য মুসলমানদের বিনয়ী এবং সম্মানের সাথে পোষাক আশা করা হয়। পুরুষদের তাদের সর্বোত্তম পোশাক পরতে এবং অনুপযুক্ত বা প্রকাশক বলে বিবেচিত কিছু এড়াতে উত্সাহিত করা হয়। মহিলাদেরও শালীন পোশাক এবং হিজাব বা হেডস্কার্ফ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখার আশা করা হয়।

 

মনোযোগ সহকারে শুনুন: জুম্মার নামাজের সময় ইমামের দেওয়া খুতবা মনোযোগ সহকারে শোনার আশা করা হয় মুসলমানদের। এই খুতবাটি ইসলামী শিক্ষা অনুসারে কীভাবে ধার্মিক জীবনযাপন করা যায় সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদানের উদ্দেশ্যে।

 

কৃতজ্ঞ হোন: মুসলমানদের তাদের দেওয়া আশীর্বাদ এবং সুযোগের জন্য আল্লাহর (ঈশ্বরের) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে এবং তারা যে কোনো ভুল করে থাকতে পারে তার জন্য ক্ষমা চাইতে উত্সাহিত করা হয়।

 

অন্যদেরকে শুভেচ্ছা জানানো: জুমার নামাজের পর, মুসলমানদের একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা জানানো এবং আনন্দ বিনিময় করা প্রথাগত। এটি সম্প্রদায়ের বন্ধনকে শক্তিশালী করতে এবং একতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

 

সংক্ষেপে, ইসলামে জুম্মার নীতিশাস্ত্র প্রার্থনার প্রতি শ্রদ্ধা, শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা এবং যেখানে এটি অনুষ্ঠিত হয় যেখানে পবিত্র স্থান, সেইসাথে অন্যদের প্রতি দয়া ও সৌজন্য প্রদর্শনের চারপাশে আবর্তিত হয়। এই নীতিগুলি মুসলমানদের একটি শক্তিশালী এবং প্রাণবন্ত সম্প্রদায় গড়ে তুলতে এবং আল্লাহর (ঈশ্বরের) সাথে তাদের আধ্যাত্মিক সংযোগকে আরও গভীর করতে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

 

Is it compulsory to bathe on Jummah?

 

While performing ritual bathing or Ghusl on Fridays (Jummah) is highly recommended in Islam, it is not mandatory or compulsory for all Muslims.

 

Ghusl is a type of ritual purification that involves washing the entire body with water in a specific way. It is performed after certain actions, such as sexual intercourse, menstruation, or postpartum bleeding, and is also recommended on Fridays as a way of preparing oneself for the Jummah prayer.

 

However, if a person is unable to perform Ghusl for any reason, they may still attend the Jummah prayer and participate in the congregation without any negative consequences or implications. The most important thing is to maintain cleanliness and observe proper hygiene by performing the ritual ablution (wudu) before the prayer.

 

In summary, while performing Ghusl on Fridays (Jummah) is recommended in Islam, it is not mandatory, and a person may still participate in the Jummah prayer and congregation without performing Ghusl if they are unable to do so for any reason.

 

শুক্রবারে (জুম্মাহ) আচার স্নান বা গোসল করা ইসলামে অত্যন্ত বাঞ্ছনীয়, এটি সমস্ত মুসলমানের জন্য বাধ্যতামূলক বা বাধ্যতামূলক নয়।

 

গোসল হল এক ধরনের আচার-অনুষ্ঠান যা একটি নির্দিষ্ট উপায়ে পানি দিয়ে পুরো শরীর ধোয়ার অন্তর্ভুক্ত। এটি যৌন মিলন, ঋতুস্রাব, বা প্রসবোত্তর রক্তপাতের মতো কিছু ক্রিয়াকলাপের পরে সঞ্চালিত হয় এবং জুমার নামাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার উপায় হিসাবে শুক্রবারে এটি সুপারিশ করা হয়।

 

যাইহোক, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কারণে গোসল করতে অক্ষম হয়, তবুও তারা জুমার নামাজে অংশ নিতে পারে এবং কোনো নেতিবাচক পরিণতি বা প্রভাব ছাড়াই জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নামাযের আগে রীতিমত অজু (ওজু) করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পালন করা।

 

সংক্ষেপে, ইসলামে শুক্রবারে (জুম্মা) গোসল করার সুপারিশ করা হলেও, এটি বাধ্যতামূলক নয়, এবং কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কারণে তা করতে অক্ষম হয় তবে গোসল না করেও জুমার নামাজ ও জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারে।

 

What set of etiquettes should we follow while listening to the Friday sermon?

 

As a Muslim, listening to the Friday sermon is an important aspect of the Jummah prayer. It is essential to observe certain etiquettes while listening to the sermon to show respect for the speaker, gain maximum benefit from the lecture, and fulfill the objectives of the Jummah prayer. Here are some of the etiquettes that Muslims should follow while listening to the Friday sermon:

 

Show respect: Muslims should show respect to the speaker by remaining quiet and attentive during the sermon. This includes avoiding talking, fidgeting, or any other behaviors that might distract or disturb others.

 

Focus on the sermon: Muslims should listen attentively to the sermon and avoid any other activities or distractions that might divert their attention. This includes avoiding the use of electronic devices, reading, or writing during the sermon.

 

Avoid arguments: Muslims should avoid engaging in any arguments or debates during the sermon. This includes refraining from raising objections, challenging the speaker, or causing any disruption.

 

Demonstrate humility: Muslims should demonstrate humility and a willingness to learn from the sermon. This includes avoiding a haughty or arrogant attitude and being open to new ideas and perspectives.

 

Reflect on the message: Muslims should reflect on the message of the sermon and how they can apply it to their lives. This includes contemplating the meanings, pondering the implications, and making a sincere effort to implement what they have learned.

 

Seek forgiveness: Muslims should seek forgiveness for their sins and shortcomings while listening to the sermon. This includes repenting for any misdeeds, seeking forgiveness from Allah, and asking for His blessings and guidance.

 

In summary, Muslims should show respect, focus on the sermon, avoid arguments, demonstrate humility, reflect on the message, and seek forgiveness while listening to the Friday sermon. By following these etiquettes, they can maximize the benefit of the sermon and fulfill the objectives of the Jummah prayer.

 

 

একজন মুসলিম হিসেবে জুমার খুতবা শোনা জুমার নামাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। বক্তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন, বক্তৃতা থেকে সর্বাধিক উপকার পেতে এবং জুমার নামাযের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য খুতবা শোনার সময় কিছু শিষ্টাচার পালন করা অপরিহার্য। জুমার খুতবা শোনার সময় মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত এমন কিছু শিষ্টাচার এখানে দেওয়া হল:

 

সম্মান দেখান: মুসলমানদের উচিত খুতবার সময় শান্ত ও মনোযোগী হয়ে বক্তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। এর মধ্যে রয়েছে কথা বলা, বকাবকি করা বা অন্য কোনো আচরণ এড়ানো যা অন্যদের বিভ্রান্ত বা বিরক্ত করতে পারে।

 

খুতবার দিকে মনোনিবেশ করুন: মুসলমানদের উচিত খুতবাটি মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করা এবং তাদের মনোযোগ বিভ্রান্ত করতে পারে এমন অন্য কোনো কার্যকলাপ বা বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলা উচিত। এর মধ্যে আছে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার এড়ানো, খুতবার সময় পড়া বা লেখা।

 

তর্ক-বিতর্ক এড়িয়ে চলুন: খুতবার সময় মুসলমানদের কোনো তর্ক বা বিতর্ক এড়ানো উচিত। এর মধ্যে রয়েছে আপত্তি উত্থাপন করা থেকে বিরত থাকা, বক্তাকে চ্যালেঞ্জ করা বা কোনো বাধা সৃষ্টি করা।

 

নম্রতা প্রদর্শন করুন: মুসলমানদের উচিত নম্রতা প্রদর্শন করা এবং উপদেশ থেকে শিক্ষা নেওয়ার ইচ্ছা। এর মধ্যে একটি উদ্ধত বা অহংকারী মনোভাব এড়ানো এবং নতুন ধারণা এবং দৃষ্টিভঙ্গির জন্য উন্মুক্ত হওয়া অন্তর্ভুক্ত।

 

বার্তাটি চিন্তা করুন: মুসলমানদের উচিত খুতবার বার্তা এবং কীভাবে তারা তাদের জীবনে এটি প্রয়োগ করতে পারে তার প্রতি চিন্তাভাবনা করা উচিত। এর মধ্যে অর্থ চিন্তা করা, তাৎপর্য নিয়ে চিন্তা করা এবং তারা যা শিখেছে তা বাস্তবায়নের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা করা অন্তর্ভুক্ত।

 

ক্ষমা চাও: খুতবা শোনার সময় মুসলমানদের তাদের পাপ ও ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত। এর মধ্যে রয়েছে যে কোনো অপকর্মের জন্য অনুতপ্ত হওয়া, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং তাঁর আশীর্বাদ ও নির্দেশনা চাওয়া।

 

সংক্ষেপে, মুসলমানদের উচিত সম্মান প্রদর্শন করা, খুতবাতে মনোযোগ দেওয়া, তর্ক-বিতর্ক এড়ানো, নম্রতা প্রদর্শন করা, বার্তার প্রতি চিন্তা করা এবং জুমার খুতবা শোনার সময় ক্ষমা চাওয়া। এই শিষ্টাচারগুলি অনুসরণ করে, তারা খুতবার সর্বাধিক উপকার করতে পারে এবং জুমার নামাজের উদ্দেশ্যগুলি পূরণ করতে পারে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *